কাজী আনোয়ার হোসেন একজন নকলবাজ, অনুবাদক নন

ছোটবেলা থেকে তিন গোয়েন্দা আর মাসুদ রানা পড়তে পড়তে বড় হয়েছি। পড়তে পড়তে মুগ্ধ হয়েছি এবং শৈশবের সেই সরল মনে অবাক বিস্ময়ে কল্পনা করেছি – একজন মানুষ এতোগুলো বই লেখার সময় পান কী করে? বন্ধুদের মধ্যে রকিব হাসান আর কাজী আনোয়ার হোসেনকে দেবত্বের আসনে বসিয়েছিলাম। এখনো অনেকেই কাজী আনোয়ার হোসেনকে “দ্যা গ্রেট কাজীদা” বলেন। কিন্তু ওনার প্রতি আমার সেই মুগ্ধতা ধূলিস্যাৎ হয়ে গিয়েছিলো সেই ১৮ বছর বয়সেই, যখন আমি জানতে পেরেছিলাম দুয়েকটা বাদে আর একটাও আসলে ওনার লেখা নয়। একটা গল্পের অসাধারণ বুননের জন্য আসল লেখককে যে কৃতিত্ব দেয়ার কথা, আমি সেটা এতদিন ধরে কাজী আনোয়ার হোসেনকে দিয়ে আসছিলাম। কিন্তু ২০০৪ সালের সেই দিন থেকে আর নয়! উনি বাংলাদেশের সবচেয়ে নামকরা অনুবাদক হতে পারতেন, কিন্তু সেদিন থেকে উনি আমার চোখে সবচেয়ে বিখ্যাত নকলবাজ!

ফেসবুকে আপনার একটা স্ট্যাটাস চুরি করতে দেখলেও নিশ্চয়ই আপনার গায়ে লাগে, আর অন্যদের এতো বিশাল মৌলিক গল্পগুলো চুরি করে নিজের নামে ছাপিয়ে দেয়ার পরেও তিনি যে সম্মানটা পাচ্ছেন, এ ধরনের হিপোক্রেসি দেখলে কষ্টই লাগে। আমি জানি, হয়তো কাজী আনোয়ার হোসেন আপনার কাছেও অনেক সম্মানের ব্যক্তিত্ব। তবু অনুরোধ রইলো, মনযোগ দিয়ে একটু ভেবে ভেবে এই পুরো লেখাটি পড়ুন। আর এটাও জানিয়ে দিচ্ছি যে আমি একই মনোভাব রকিব হাসান এবং অন্য সকল নকলবাজের জন্যেই পোষণ করি। এই ইস্যুটা নিয়ে অনেকের সাথে কথা হয়েছে আমার। পুরো ব্যাপারটা তাই কথোপকথনের মত করে নিচে লিখলাম। আপনি হয়তো বলতে পারেন,

ভাবানুবাদকে নকল বলা যায় না।

ভাবানুবাদও তো অনুবাদই। ভাবানুবাদ করলেও আসল লেখক এবং আসল কাহিনীর নাম উল্লেখ করা উচিৎ।

উনি বিদেশী গল্পকে মাসুদ রানা বানাতে যে কষ্ট করেন, এজন্য ওনাকে অরিজিনাল রাইটারের কৃতিত্ব দেয়া যায়।

অনুবাদ করতে কষ্ট হয়, মেনে নিচ্ছি। কিন্তু কাহিনী বানাতে আর লিখতে অনেক বেশি কষ্ট হয়, যার কৃতিত্ব শুধুই লেখকের। আর প্লিজ, একটু আসল বইগুলো পড়ে দেখবেন, প্রতিটি লাইন নকল, একদম দাঁড়ি-কমা সহ অনুবাদ। নামগুলো পাল্টে যায় শুধু। সেটার মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য এটাসেটা যোগ করা বা এদিক ওদিক করা কোনো ব্যাপার না। তাই, কাজীদা শুধু অনুবাদকের কৃতিত্ব নিতে পারতেন।

আমি লাইন বাই লাইন নকলের একটা উদাহরণ দিচ্ছি। গুপ্ত সংকেত বইটাতে (ড্যান ব্রাউনের “দ্যা দা ভিঞ্চি কোড” এর অনুবাদ) কাজী আনোয়ার হোসেনের অনুবাদের প্রথম পৃষ্ঠার একটা র‍্যান্ডম অংশ দিচ্ছি –

“ঠিক যেমন আশা করেছিলেন, কর্কশ ঘটাং আওয়াজ করে কাছাকাছি কোথাও নেমে এলো কোথাও নেমে এলো ভারী লোহার গেট। গ্যালারিতে আর কারো ঢোকার পথ বন্ধ হয়ে গেলো। কেঁপে উঠলো জ্যামিতিক নকশা কাটা, পালিশ করা কাঠের মেঝে। সেই সঙ্গে বেজে উঠলো এলার্ম। এক মুহুর্ত স্থির হয়ে শুয়ে থাকলেন কিউরেটর। দম ফুরিয়ে যাওয়ায় এখনো হাঁপাচ্ছেন, চারিদিকে তাকিয়ে পরিস্থিতিটা বোঝার চেষ্টা করলেন। এখনো আমি বেঁচে আছি, ভাবলেন তিনি। ক্যানভাসের তলা থেক ক্রল করে বেরিয়ে এলেন বেসন, প্রকাণ্ড গুহার মত জায়গাটায় চোখ বুলিয়ে লুকানোর জায়গা খুঁজছেন। এই সময় শোনা গেল কথাটা। এত কাছে থেকে যে গা শিরশির করে উঠলো তার।
“এক চুল নড়বেন না”
হামাগুড়ি দেয়ার ভঙ্গিতে পাথর হয়ে গেলেন ল্যাক বেসন, ধীরে ধীরে ঘাড় ফেরাচ্ছেন।”

***********************************

ড্যান ব্রাউনের ইংরেজি টেক্সটটা ছিলো এরকম,
As he had anticipated, a thundering iron gate fell nearby, barricading the entrance to the suite. The parquet floor shook. Far off, an alarm began to ring. The curator lay a moment, gasping for breath, taking stock. I am still alive. He crawled out from under the canvas and scanned the cavernous space for someplace to hide.
A voice spoke, chillingly close. “Do not move.”
On his hands and knees, the curator froze, turning his head slowly.

এবার আপনিই বলুন, এটা লাইন বাই লাইন অনুবাদ কিনা। আর এখানে ড্যান ব্রাউনের নাম থাকা উচিৎ ছিলো কিনা।

সেবার বইগুলোয় কিন্তু “বিদেশি গল্পের ছায়া অবলম্বনে” লেখা থাকে।

আমি বলি, সেবার অনেক অনেক (সত্যিকার অর্থে, অনেক) বইতেই আমি “বিদেশী গল্পের ছায়া অবলম্বনে” কথাটা দেখিনি। অনেক বইতে আছে, কিন্তু অনেক বইতে সেই কার্টেসিটুকুও বাদ দিয়েছেন। আমার বাসাতেই মাসুদ রানার অনেক বই আছে, যাতে এ ধরনের কিছুই পাওয়া যাবেনা তন্ন তন্ন করে। অনেকে এই পর্যায়ে এসে দাবি করবেন যে এমনটা নাকি হতেই পারে না। তাই, আপনাদের জন্য আমার বাসায় থাকা দুটো বইয়ের ছবি দিলাম।

দ্বিতীয়টাতে প্রচ্ছদ যে বিদেশি ছবির অবলম্বনে, সেটাও আছে; অথচ কাহিনী যে বিদেশি গল্পের অবলম্বনে, তা নেই। প্রথমটাতে তো তাও নেই। যাই হোক, এমন আরো চাইলে আরো দিতে পারি।

উনি তো বরাবরই বলেন এগুলো বিভিন্ন বিদেশি বইয়ের কাহিনী অবলম্বনে লেখা।

আমি বলি, উনি মুখে বললেই যে ওনার লেখা চুরিটা ন্যায়সঙ্গত হয়ে গেলো, তা তো না। প্রতিটি বইতেই মূল কাহিনীর এবং মূল কাহিনীকারের নাম থাকা উচিৎ। অগ্নিপুরুষের কাহিনীর প্রশংসা করে একজন পাঠক যখন কাজী আনোয়ার হোসেনকে বাহবা দিয়ে মতামত পাঠালো (অন্য একটা বইয়ের শেষাংশে পড়েছিলাম), তখন তো উনি একবারের জন্যেও বলেননি এটা Men on Fire থেকে নেয়া। এরকম শত শত উদাহরণ আছে।

মাসুদ রানা সিরিজ জনপ্রিয় হবার পর নিয়মিত প্রকাশের জন্য পাঠকের চাপ থাকতো একটা। এজন্য উনি এমন করেছেন।

পাঠকের চাপ থাকবে, এজন্য কি সে অনুবাদকে নিজের নামে চালিয়ে দেবে নাকি? এটা অনেক বড় ধরনের অন্যায়।

কপিরাইটের ঝামেলা এড়ানোর জন্য উনি এই কাজ করেছেন।

সেবা তো অনেক অনূদিত বইও বের করছে। কই, সেখানে তো কপিরাইটজনিত সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে না! অনেকে অনুবাদ করছে, হয়তো অরিজিনাল লেখককে রয়্যালিটি দিচ্ছে না। তৃতীয় বিশ্বের মাথাপিছু আয় যতদিন না পাল্টাচ্ছে, ততদিন এটা ঠিক হবে না। আমাদেরকে চেষ্টা করে যেতে হবে সেই পরিস্থিতি ঠিক করার। কিন্তু কাজী আনোয়ার হোসেন কপিরাইটও দিচ্ছেন না, আবার নিজের নামেও চালাচ্ছেন। অন্যান্য অনুবাদকগণ অন্তত ওনার মত নিজেকেই লেখক দাবি করছেন না।

কোনো অবস্থাতেই মাসুদ রানা নামে ওগুলো ছাপানো উচিৎ হয়নি, কপিরাইটের ঝামেলা থাকুক আর না থাকুক। আপনি বাইরে গিয়ে একটা বই লিখুন, আপনার অজান্তে কাজী আনোয়ার হোসেন সেটাকে মাসুদ রানা বলে ছাপিয়ে দিক, তারপর দেখবেন কেমন লাগে!

উনি সেবা প্রকাশনী প্রতিষ্ঠা করেছেন, অনেককে লেখার সুযোগ করে দিয়েছেন।

এগুলোর জন্য তাকে ক্রেডিট দিতে আমার কোনো সমস্যা নেই। দেবো না কেন? কিন্তু এগুলোর জন্য তার চুরি করে লেখাটা ন্যায়সঙ্গত হয়ে যায় না।

প্রচুর পাঠক তৈরি করেছেন উনি। বইয়ের দামও কম রেখেছেন।

উনি নিজের পাঠক তৈরি করেছেন, আসল লেখককে কোনো ক্রেডিট না দিয়েই। ক্লাইভ কাসলারের ডার্ক পিটের হেন কোনো লেখা নেই, যেটা উনি নকল করেননি, কিন্তু আমি কাসলারের লেখা পড়ার আগে, অর্থাৎ মাসুদ রানা পড়তে গিয়ে কোনোদিন ডার্ক পিট নামটাও জানতে পারিনি। উনি অনুবাদ করতে পারতেন বইগুলো, আসল লেখক ও আসল কাহিনীকে তার যোগ্য সম্মান দিয়ে। এতে অনুবাদক হিসেবে ওনার সম্মান বাড়তো বই কমতো না। আর সেবার অনুবাদ বইগুলোর দাম কি অস্বাভাবিক বেশি? কখনোই না, তাহলে দামের প্রসঙ্গ এখানে অবান্তর।

তাহলে আপনিই একটা লেখা লিখে দেখান না!

হাসালেন ভায়া! অন্যদের মৌলিক একটা লেখা নকল করে বিখ্যাত হবার চেয়ে কম ভালো একটা লেখা লিখে কম খ্যাতি পাওয়া আমার কাছে নৈতিক দিক থেকে অনেক বেশি উত্তম। সে সাহিত্যের বিনোদন দিয়ে আসছে, চুরি করে। আপনার কাছে যদি এটাকে এক্কেবারেই নিষ্পাপ মনে হয়, তাহলে আপনারো তো একই কাজ করা উচিৎ। নকল করে একটা লেখা শুরু করুন তো! দেখুন তো মনের ভেতরে থেকে সায় পান কিনা!

আপনি কি পাইরেটেড মুভি-সিরিজ দেখেন না?

আমি পাইরেটেড মুভি-সিরিজ দেখি, কিন্তু সেগুলো আমি নিজে বানিয়েছি বলে দাবি করি না। আর তৃতীয় বিশ্বের মানুষদের মাথাপিছু আয়ের ব্যাপারে তো আগেই বলেছি। আরেকটা ব্যাপার, এই মুহূর্তে যা ঠিক না হলেই নয়, সেটা আগে ঠিক করা কি বেশি প্রয়োজন নয়? এভাবেই তো চর্চা তৈরি হবে, এভাবেই আমরা এমন একটা সংস্কৃতি তৈরি করবো, যেখানে মেধাকে তার প্রাপ্য সম্মানটুকু দেয়া হবে।

****************

লেখাটার একটা সংক্ষিপ্ত সংস্করণ সচলায়তনে প্রকাশিত হয়েছিলো। সেখানে অনেকেই আমাকে অনেক রকম কড়া কথা শুনিয়েছিলেন। আমি তাদের ব্যাপারটা বুঝি। কাজী আনোয়ার হোসেন তাদের শৈশবের হিরো, আমারও ছিলেন; আর এমন একজনকে নিয়ে সত্য কথা মানতেও সমস্যা হবার কথা। যে একসময়কার হিরো, নতুন তথ্য আসার সাথে সাথে সেটা পরিবর্তিতও হতে পারে, হওয়াই উচিৎ। কাজীদার নকল এবং চৌর্যবৃত্তি নিয়ে নতুন করে ভাবা প্রয়োজন।

Share:

10 comments

  1. :0 :0 অনেক বড় ফ্যান ছিলাম … সত্যটা জানতাম না আজ জানতে পারলাম

      1. আপনি আপনার জায়গায়ই থাকবেন।কা আ হোসেন তাঁর জায়গাতেই থাকবেন মানুষের ভালবাসা নিয়ে।যারা কাজ করে তারা সমালোচনার স্বীকার হবেন এটাই স্বাভাবিক আর যারা কাজ না করে তারা মানুষের গীবত করবে এটা চিরসত্য।কাঠি না নাড়িয়ে……..

        1. চমৎকার, উনি কাজ করছেন বলে সমালোচনা করিনি, চুরি করছেন বলে করেছি। কাজটা চুরি হলেও কি সমালোচনা করা যাবে না? আর আমি কাজ করি নাকি করি না, সেটা কি আপনি জানেন? আমি অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দিচ্ছি না অন্তত। কী কী করছি, সেটা এই ওয়েবসাইটেই দেয়া আছে। হোমপেইজে প্রজেক্ট থেকে দেখে নিন।

  2. কাজী আনোয়ার হোসেন কি এমন অন্যায় করলেন যে তার এমন সমালোচনা করা আপনার কর্তব্য মনে করলেন!!
    বোধগম্য হলো না। আসলে আমরা বাঙ্গালীরা স্বভাব সুলভ ভাবে – পরের শ্রী দেখিয়া কাতর হই। এজন্যেই এরকম যুৎসই শব্দ পৃথিবীর আর কোন ভাষায় পাওয়া যায় না!!

    1. উনি ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো ক্ষতি করেননি। কিন্তু সামষ্টিক ক্ষতির কারণে ওনার চৌর্যবৃত্তির বিরুদ্ধে কথা বলা জরুরি কর্তব্য বলে মনে করি। আর আমি পরশ্রীকাতর নই, তেমন হলে তো যে কোনো সফল মানুষের বিরুদ্ধেই কথা বলতাম। তা যেহেতু করি না, তাই আপনার কমেন্টের কোনো যুক্তিই ধোপে টেকে না।

  3. আমি প্রথম বুঝেছিলাম এটা তিন গোয়েন্দা পড়ে। পরবর্তীতে মাসুদ রানার কাহিনী দেখলাম জেমস বন্ডের একটা মুভিরই পুরো নকল। আর তাদের ডিজাইনার রাই নেট থেকে অন্যের ডিজাইন চুরি করে চালিয়ে দেয় নিজের নামে। খুব সাম্প্রতিক ঘটনা, তিন গোয়েন্দা ভলিউম ১৪৪ এর প্রচ্ছদ দেখলাম বিহান্সের এক ডিজাইনারের ডিজাইন হুবহু কপি। কমেন্টে সেবা প্রকাশনির ডিজাইনার খুব বাহবা নিচ্ছেন নিজের নামে। আমি সব লিংক দিয়ে কমেন্ট করার পরপরই আমাকে পেজ থেকে ব্যানড করা হয়।

  4. আপনার লেখার সুরে কেমন যেন কাজী আনোয়ার হোসেনের প্রতি বিদ্বেষ অনুভব করলাম। আপনি কাজীদাকে চোর প্রমাণ করার চেষ্টা করে একটা বিকৃত বিনোদন পাচ্ছেন। এই লেখা দেখে অসংখ্য কাজীদা এবং সেবা প্রকাশনীর অনুরাগীরা ভীষণ কষ্ট পাবে এটা আপনার বিনোদনের বিষয়।
    কোথায় কোথায় কাজীদা বিদেশি গল্পের অবদান স্বীকার না করে নিজেকে মূল লেখক দাবী করেছেন সেটার প্রমাণ না দিলে লেখাটা খেলো হয়ে গেল না? কোথায় কোথায় কাজীদা নিজেকে মৌলিক লেখক হিসেবে দাবী করেছেন, আমিও জানতে চাই
    আপনার লেখার উদ্দেশ্যটা হয়ত ভালোই ছিল কিন্তু কেন জানি লেখা পড়ে মনে হয়েছে আপনি ব্যক্তি কাজী আনোয়ার হোসেনকে আক্রমন করেই লিখতে চেয়েছেন।

    1. প্রমাণ কিন্তু আমি লেখার মধ্যেই দিয়েছি। ছবিগুলো দেখেননি? এমনকি প্রচ্ছদ বিদেশি ছবির অবলম্বনে লেখা থাকলেও গল্পের ক্ষেত্রে সেটা স্বীকার করা নেই, সেটাও দেখিয়েছি আমি। আর বইয়ের প্রচ্ছদে লেখক হিসেবে নিজের নাম দেয়া কি মৌলিক লেখক হিসেবে দাবি করা নয়? কী যে বলছেন, বুঝতে পারলাম না! কাজী আনোয়ার হোসেনের সাথে আমার কখনো দেখা হয়নি, পরিচয়ও হয়নি; দূর থেকেও যে কখনো দেখেছি, তেমনও ঘটেনি। তাই ব্যক্তিগত আক্রমণের কোনো প্রশ্ন নেই। আমি ওনার সততা অনুশীলন নিয়েই প্রশ্ন করেছি, একজন পাঠক হিসেবে, একজন সোশ্যাল ন্যারেটর হিসেবে। যারা ওনার ভক্ত, তারা ওনার এই দিকটা ভেবে দেখে না বলেই আমি সেটার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করেছি। I seriously think that this is something to think about.

Leave a Reply to Farhad Hossain Masum Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *